1. admin@dailyoporadhonusondhanltd.net : admin :
শিরোনামঃ
গোপালগঞ্জে হেলমেট বিহীন চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন ডিসি কাজী মাহবুবুল আলম ফরিদপুর মেডিকেলের পরিচালককে প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিকদের সড়ক অবরোধ গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় অভিযান চালিয়ে জব্দকৃত নিষিদ্ধ চায়না জাল ধ্বংস র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-১১ এর  যৌথ অভিযানে নানা-নাতনি নিহত’ শিরোনামের চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘাতক চালক ফেনী থেকে গ্রেফতার। প্রধান শিক্ষকের গাফিলতিতে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত অংশগ্রহণকারীদের ভোগান্তি অস্ত্রসস্ত্র ও গুলি সহ ভূয়া ডিবি পুলিশ আটক জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গয়না, জলিরপাড়ের ব্রোঞ্জ পল্লীতে আনন্দ উল্লাস ফুলপুর ৫নং সদর ইউনিয়নের শিমুলতলা হতে ডেঁফুলিয়া পযর্ন্ত রাস্তা উদ্ধোধন করলেন শরীফ আহমেদ এমপি শ্রীপুরে জমি নিয়ে বিরোধে আপন চার ভাইয়ের থানায় অভিযোগসহ কোর্টে মামলা। “কেয়া বৃত্তি শিক্ষায় সৃজনশীলতা ও মেধা বিকাশে সহায়ক”

শরীয়তপুরে সদর হাসপাতালে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার রোগীর প্রাদুর্ভাব, শয্যা সংকট।

  • আপডেট সময়ঃ রবিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২২
  • ৮৬ জন দেখেছেন

রিপোর্টঃ মোঃ ওবায়েদুর রহমান সাইদ শরীয়তপুর প্রতিনিধি। আবহাওয়ার পরিবর্তনজনিত কারণে শরীয়তপুরে ব্যাপক হারে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতালের বেডে জায়গা না পেয়ে অনেককে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে বারান্দার ফ্লোরে। শয্যা সংকট হয়ে পরেছে হাসপাতালে।শরীয়তপুর সদরের ১০০ শয্যা হাসপাতাল ও অন্যান্য ছয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুরে গত এক সপ্তাহে সহস্রাধিক মানুষ ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া  আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যাই বেশি। জেলার বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হওয়ার পর ২/৩ দিনেও কোন উন্নতি না হওয়ায় তাদেরকে শরীয়তপুর সদরের ১০০ শয্যা হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। এখানে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে বেডের সংখ্যা ২০টি, শিশু ওয়ার্ডে বেডের সংখ্যা ১৮টি । শরীয়তপুর সদর ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে রোগী আসায় প্রতিদিন ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা অর্ধ-শতাধিক। এ কারেণে বেডে না পেয়ে বাধ্য হয়ে রোগীদেরকে হাসপাতালের বারান্দায় ফ্লোরে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

 

রবিবার (১৩নভেম্বর) শরীয়তপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের নিচ তলার বারান্দায় ডায়রিয়ার রোগীর জন্য কোন জায়গা ফাঁকা নেই। এতে করে চিকিৎসক ও নার্সরা রোগীদেরকে সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। আর ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা।

 

রবিবার  (১৩ নভেম্বর) দুপুরে সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, শিশু ওয়ার্ডের জন্য নির্ধারিত বেড খালি না থাকায় অতিরিক্ত রোগীকে ফ্লোরে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

সদর হাসপাতাল সূত্র জানায়, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে বেড রয়েছে ১৮টি। কিন্তু শনিবার রোগীর সংখ্যা ছিল ৫০ জন। অন্যদিকে, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে বেড রয়েছে ২০টি। কিন্ত রোগীর সংখ্যা ছিল শিশুসহ ৩০ জন।এছাড়া নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। বিড়ম্বনার মধ্যে পড়ছেন রোগীর স্বজনরা।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবদুস সোবহান বলেন, আবহাওয়ার পরিবর্তনে ঠান্ডাজনিত কারণে জ্বর ও ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। হাসপাতালে শয্যা সংকট হওয়ায় ফ্লোরে রোগীদের রাখতে হচ্ছে। এই মুহুর্তে মায়েদের সচেতন হতে হবে। পচা-বাসি খাবার খাওয়া যাবে না।  শিশুদের বেশি করে নিরাপদ পানি পান করাতে হবে। নবজাতকদের ঘন ঘন বুকের দুধ খাওয়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

শেয়ার করুন

আরো দেখুন......