1. admin@dailyoporadhonusondhanltd.net : admin :
শিরোনামঃ
প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও কুরবানীর সমস্ত গোশত গরিব দুঃখী অসহায় মানুষদের মাঝে অকাতরে বিলিয়ে দিলেন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ননীক্ষীর ইউনিয়নের বনগ্রাম বাজার, জলিরপাড়ের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী শেখ মোঃ জিন্নাহ।। এবারও চসিকে কোরবানির বর্জ্য পরিস্কার -পরিচ্ছন্নতায় শীর্ষে দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ড শিবগঞ্জে ভ্যান চালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হারুন অর রশিদ ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মংপ্রু মার্মার পরিবারের মানবেতর জীবনযাপন, আয়েরও কোন উৎস নেই ঝিনাইদহ চেক পোস্টে ২৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক কালাইয়ে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট। *মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা-২০২৪ উপলক্ষে ৫০ টি দুস্থ পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম।* এলজিইডি’র বাস্তবায়নে মুকসুদপুরের বিলচান্দা গ্রামের মানুষ শহরের সুবিধা পেতে চলেছে সাগরিকা ও হালিশহর বড়পুল মহেশখাল পাড়স্থ পশুর হাট পরিদর্শনে সিএমপি পুলিশ কমিশনার “সাংবাদিকতা সংক্রান্ত নেতিবাচক লেখাগুলো ফেসবুকে প্রচার বন্ধ হোক”- “সাইদুর রহমান রিমন”। 

সমস্যা সমাধানে মুহুর্তেই হাজির মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম

  • আপডেট সময়ঃ শনিবার, ১ জুন, ২০২৪
  • ১১ জন দেখেছেন

পারভেজ রানা,বিশেষ প্রতিনিধিঃ বরগুনার আমতলীতে ঘুর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকার মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ সহ যেকোন প্রয়োজনে মুহুর্তেই হাজির মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম।

তিনি আমতলীতে যোগদানের পর থেকেই সাধারণ মানুষ সহ যে কোন প্রয়োজনে সবকিছুর সমাধানকল্পে নিজে উপস্থিত থেকে সমাধান করেন।বিষয়টি এতদিনে সকলের সামনে না এলেও সম্প্রতি ঘুর্ণিঝড় রেমালে দিন-রাত বিরামহীনভাবে দুর্দশা গ্রস্ত মানুষের মাঝে মুহুর্তেই ত্রাণ নিয়ে হাজির হয়ে সবকিছুর ব্যবস্হা করায় আমতলীবাসী তাকে এখন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবেই ডাকছেন।

২৬শে মে থেকে টানা ২৪ ঘন্টা ধরে চলা ঘুর্ণিঝড় রেমালে আমতলী উপজেলায় বেলা সাড়ে বারোটার সময়ে প্রথম আঘাত হানে পশরবুনিয়া ভেড়ি বাঁধে ভেঙ্গে যাওয়ার মাধ্যমে মুহুর্তেই সেখানে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম। কেবল উপস্থিতিই নয় সাথে সাথে জেলা প্রশাসকের সাথে আলোচনা করে জনবল সংগ্রহের মাধ্যমে বাঁধ মেরামতেরও ব্যবস্হা করেন।

রেমালে পৌর শহর থেকে শুরু করে উপজেলার এমন কোন স্হান নেই যেখানে তিনি ত্রাণ নিজ হাতে পৌঁছে দেননি। তাই উপজেলার অসহায় ক্ষতিগ্রস্ত থেকে শুরু করে সকলে তাকে নির্বাহী অফিসার নয় মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবেই ভেবে থাকেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এমনকি সচিবালয়েও তাকে একজন সৎ নীতিবান ও ধার্মিক কর্মকর্তা হিসেবে জানেন।

শেয়ার করুন

আরো দেখুন......