1. admin@dailyoporadhonusondhanltd.net : admin :
শিরোনামঃ
প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও কুরবানীর সমস্ত গোশত গরিব দুঃখী অসহায় মানুষদের মাঝে অকাতরে বিলিয়ে দিলেন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ননীক্ষীর ইউনিয়নের বনগ্রাম বাজার, জলিরপাড়ের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী শেখ মোঃ জিন্নাহ।। এবারও চসিকে কোরবানির বর্জ্য পরিস্কার -পরিচ্ছন্নতায় শীর্ষে দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ড শিবগঞ্জে ভ্যান চালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হারুন অর রশিদ ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মংপ্রু মার্মার পরিবারের মানবেতর জীবনযাপন, আয়েরও কোন উৎস নেই ঝিনাইদহ চেক পোস্টে ২৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক কালাইয়ে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট। *মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা-২০২৪ উপলক্ষে ৫০ টি দুস্থ পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম।* এলজিইডি’র বাস্তবায়নে মুকসুদপুরের বিলচান্দা গ্রামের মানুষ শহরের সুবিধা পেতে চলেছে সাগরিকা ও হালিশহর বড়পুল মহেশখাল পাড়স্থ পশুর হাট পরিদর্শনে সিএমপি পুলিশ কমিশনার “সাংবাদিকতা সংক্রান্ত নেতিবাচক লেখাগুলো ফেসবুকে প্রচার বন্ধ হোক”- “সাইদুর রহমান রিমন”। 

চতুর্থ পর্ব:-

  • আপডেট সময়ঃ সোমবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৭৪ জন দেখেছেন

হাকিম মাওলানা মুহাম্মদ ইকবাল ইউসুফ:

মহানবী (দ.) কখনও কোন ইহুদী খ্রিস্টান অগ্নিপূজারী মুশরেককে তাদের আকীদা অনুযায়ী ইবাদত করতে বারণ করেননি। উপরন্তু একবার নাজরান উপত্যকা থেকে খ্রিস্টান পাদ্রীদের একটি দল মদিনায় আসে এবং বেশ কয়েক দিন তারা মসজিদে নববী শরিফের অভ্যন্তরে বসে মহানবী (দ.) এবং সাহাবাগণের উপস্থিতিতে খ্রিস্টধর্মের পক্ষে আলোচনা করেন। মহানবী (দ.) ও তাদের সাথে ধর্মীয় বিষয়ে আলোচনা করেন।

একদিন এমনই কথোপকথনের সময় তারা মসজিদ থেকে উঠে চলে যেতে লাগল। নবীজির জিজ্ঞাসায় তারা বলল, আমাদের উপাসনার সময় হয়েছে তাই আমরা বাইরে গিয়ে উপাসনা করতে চাই। নবীজি বললেন, এজন্যে মসজিদ থেকে বাইরে যাবার প্রয়োজন নেই। এখানেই বসে আপন নিয়মানুযায়ী প্রার্থনা করে নিন। অতঃপর সে খ্রিস্টান পাদ্রীরা, যারা হজরত ঈসা (আ.)- কে ঈশ্বরপুত্র বলে বিশ্বাস করে এবং নিজেদের আকীদা অনুযায়ী হজরত ঈসা (আ.)- কে ঈশ্বর জ্ঞানে পূজা করত, তারা মসজিদে নববীর অভ্যন্তরে নিজেদের বিশ্বাস অনুযায়ী উপাসনা করে। (ইবনে সা’দ ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা-৩৫৬; দারুল ফিক্র বইরুত)

১২) কাফেরদের বিষয়ে আল্লাহ্ তালা পবিত্র কুরআনে বলেন, ‘লা ইয়ানহাকুমুল্লাহু আনিল্লাযীনা লাম ইউকাতিলূকুম ফিদ্দীনে ওয়া লাম ইউখরিজূকুম মিন দিয়ারিকুম আন তার্বারূহুম ওয়া তুকসিতূ ইলাইহিম ইন্নাল্লাহা ইউহিব্বুল মুকসিতীন। ইন্নামা ইয়ানহাকুমুল্লাহু আনিল্লাযীনা কাতালূকুম ফিদ্দীনে ওয়া আখরাজূকুম মিন দিয়ারিকুম ওয়া যাহারূ আলা ইখরাজিকুম আন তাওয়াল্লাওহুম ওয়া মান ইয়াতাওয়াল্লাহুম ফা-উলাইকা হুমুয্ যালিমূন (সূরা মুমতাহানা: ৯ ও ১০)।

যারা তোমাদের সাথে ধর্মীয় বিষয়ে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে দেশছাড়া করে নি, আল্লাহ্ তোমাদেরকে তাদের সাথে উত্তম আচরণ করতে এবং ন্যায়-নিষ্ঠার ব্যবহার করতে বারণ করেন না। নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়পরায়ণদের ভালবাসেন। আল্লাহ্ তোমাদেরকে কেবল তাদেরকে বন্ধু বানাতে বারণ করেন, যারা ধর্মীয় বিষয়ে তোমাদের সাথে যুদ্ধ করেছে এবং তোমাদেরকে তোমাদের বাড়ি-ঘর থেকে বিতাড়িত করেছে এবং তোমাদেরকে বিতাড়িত করতে একে অন্যকে সাহায্য করেছে। আর যে তাদেরকে বন্ধু বানাবে, তারাই হলো যালেম।

১৩)কাফেরকে সালাম বলা:
আল্লাহ্ তা’লা পবিত্র কুরআনে বলেন, ওয়া কীলিহি ইয়া রাব্বে ইন্না হাউলায়ে কাওমুন লা ইউ’মিনূনা; ফাসফাহ্ আনহুম ওয়া কুল সালাম, ফাসাউফা ইয়া’লামূন। ‘হে আমার প্রভু! এরা এমন এক জাতি, যারা ঈমান আনে না, নবীর এমন কথায় আল্লাহ্ বলছেন, হে নবী-আপনি তাদের উপেক্ষা করুন এবং তাদের কে সালাম বল। অচিরেই তারা জানতে পারবে’ (সূরা যুখরুফ: ৮৯, ৯০)।অতএব কাফেরদের ক্ষেত্রেও আল্লাহ্ তা’লার নির্দেশ হল, তাদেরকে সালাম বল।

লেখক : হাকিম মাওলানা মুহাম্মদ ইকবাল ইউসুফ (মাঃ)।
সাধারণ সম্পাদক, সূফীতত্ত্ব গবেষণা ও মানবকল্যাণ কেন্দ্র

শেয়ার করুন

আরো দেখুন......