1. admin@dailyoporadhonusondhanltd.net : admin :
শিরোনামঃ
নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ রায়হান’কে চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭ ও র‌্যাব-১১। সীতাকুণ্ডে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ যানজট সৈনিক কল্যাণ সংস্থা Uno নিকট খেজুরের বীজ প্রদান বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি চট্টগ্রাম জেলা শাখা কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান ও মাস ব‍্যাপি সাংগঠনিক কর্মসূচি 2024 সম্পন্ন। বরগুনার তালতলীতে অবৈধ চোলাই মদসহ আটক ১ জন। “শিক্ষায় কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকদের আন্তরিকতা প্রশংসনীয়”– “শিক্ষায় কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকদের আন্তরিকতা প্রশংসনীয়” শেরপুরের ঝিনাইগাতী তিনজন হোটেল মালিককে ৬ হাজার টাকা জরিমানা ২ কেজি গাঁজা সহ এক মাদক ব্যবসায়ী বরগুনা ডিবি পুলিশের হাতে আটক।

কেমিক্যাল বর্জ্যে জায়গা সংকট বেনাপোল বন্দরে, রয়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি

  • আপডেট সময়ঃ বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৩৭ জন দেখেছেন

কামাল হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বেনাপোল বন্দরে অগ্নিকাণ্ডে গত কয়েক বছরের সৃষ্টি কেমিক্যাল বর্জ্য যেখানে সেখানে পড়ে থাকলেও অপসারণে গুরুত্ব নেই কর্তৃপক্ষের। এতে জায়গা সংকটসহ বন্দর ব্যবহারকারী ও আশপাশের মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে বন্দরের টিটিআই ও টিটিপি মাঠ এবং বন্দরের ৩ নাম্বার গেটসহ কয়েকটি স্থানে অগ্নিকাণ্ডে সৃষ্টি কয়েক হাজার মেট্রিকটন কেমিক্যাল বর্জ্য পড়ে আছে। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছেন দ্রুত বর্জ্য অপসারণের চেষ্টা চলছে। বেনাপোল বন্দরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া
বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত যেসব কেমিক্যাল জাতীয় কাঁচামাল ভারত থেকে আমদানি হয়ে থাকে তার ৭০ শতাংশ বেনাপোল বন্দর দিয়ে আসে। এরমধ্যে কিছু কিছু রাসায়নিক পণ্য এতো বিপদজনক যে ট্রাকে বা গোডাউনে থাকা অবস্থায় তেজস্ক্রিয় হয়ে আগুন ধরে যায়। গত ১০ বছরে বেনাপোল বন্দরে এ ধরনের ছোট বড় ৭টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসব অগ্নিকাণ্ডে সৃষ্টি হয়েছে কয়েক হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য।
অগ্নিকাণ্ডের পর ওই সব কেমিক্যালের বর্জ্য নিরাপদ জায়গায় না সরিয়ে বছরের পর বছর বন্দর অভ্যন্তরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এতে মারাত্মকভাবে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। বৃষ্টি হলেই এসব বর্জ্য গলিত পানি জনবসতি এলাকায় প্রবেশ করে পুকুরের পানি দুষিত করছে। কেমিক্যাল ধুলা-বাতাসে মিশে আক্রান্ত করছে বন্দর ব্যবহারকারীদের। বর্জ্য অপসারণে বিভিন্ন সময় ব্যবসায়ী নেতারা কর্তৃপক্ষকে অবগত করলেও নানান অজুহাতে এতদিনে পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। নানান সমস্যা থেকে রেহাই পেতে অপসারণের দাবি ভুক্তভোগীদের।
বন্দর ব্যবহারকারী সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুজিবর রহমান জানান, বন্দরে আমদানি পণ্যের মধ্যে বর্জ্যস্তূপ পড়ে থাকায় পণ্য খালাসে দুর্ভোগ ও জায়গা সংকট তৈরি হচ্ছে। বারবার বন্দর কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করা হলেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।
বন্দরের পার্শ্ববর্তী বাসিন্দা সাইিদুল ইসলাম শাহীন জানান, কেমিক্যাল বর্জ্য বৃষ্টির সময় এলাকায় প্রবেশ করে পানি দুষিত হচ্ছে। এতে গ্রামবাসী নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।
বেনাপোল ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক (রসায়ন) প্রদীপ কুমার সরকার বলেন, ‘কেমিক্যাল বর্জ্য বাতাসে মিশে বিষক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এতে চুলকানিসহ স্কিন ক্যানসার হতে পারে।’পরিবেশবাদী সংস্থা গ্রিন ওয়ার্ল্ড এনভায়রনমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আশিক মাহামুদ সবুজ জানান, যত্রতত্র কেমিক্যাল বর্জ্যে নানাভাবে মানুষ আক্রান্ত হতে পারে। এমনকি পরিবেশের ওপরও আঘাত হানতে পারে। তাই এসব বর্জ্য সংরক্ষণে রাখা উচিত।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক ট্রাফিক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. রেজাউল করিম কেমিক্যাল বর্জ্য বন্দরে জায়গা সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘আইনি জটিলতার কারণে অগ্নিকাণ্ডে সৃষ্টি বর্জ্য সব সরিয়ে নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে দ্রুত যাতে সরানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরকে চিঠি দিয়ে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

আরো দেখুন......