1. admin@dailyoporadhonusondhanltd.net : admin :
শিরোনামঃ
খুলনা বটিয়াঘাটা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন জমে উঠেছে,চেয়ারম্যান পদে লড়াই হবে রাহুল,শিমু,মিলন ও নিতাই মধ্যে। বদলগাছী উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নের ২৪ ও ২৫ অর্থ বছরের প্রায় সাড়ে ৪ কুঠি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান । ঝিনাইগাতীতে আদিবাসী শিশু ধর্ষণের দায়ে গ্রেপ্তার-১ মহাসড়কে অপরিকল্পিত ব্রিজ ভোগান্তির শেষ নেই লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষের সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবি ও চাঁদা আদায়সহ নগ্ন ভিডিও ধারণের ঘটনায় ভুয়া সাংবাদিকসহ গ্রেফতার-০৩ চট্টগ্রামে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’মোকাবেলায় বিভিন্ন কর্মসূচির তৎপরতায় মেট্রোপলিটন পুলিশ বাবাকে পিটিয়ে পঙ্গু করার অভিযোগ উঠেছে ছেলে এবং পুত্র বধুর বিরুদ্ধে গভীর নলকূপের ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অজ্ঞাত এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। র‌্যাব-৭,চট্রগ্রাম’র অভিযানে যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাকিল হোসেন গ্রেফতার।  ঘূর্ণিঝড় রেমালে বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা অ্যালার্ট-৪ জারি

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের রোগীর খাবারের জন্য ১ কোটি ৫৯ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকার বরাদ্দ অনুমোদন।

  • আপডেট সময়ঃ বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১১১ জন দেখেছেন

মোঃ নাসির উদ্দিন,স্টাফ রিপোর্টার,
বামনা. বরগুনা:

ছয়টি উপজেলা নিয়ে ১০ লক্ষ জনসংখ্যা অধ্যুষিত বরগুনা জেলার জনসাধারণের গুণগত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকল্পে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালকে ১০০ শয্যা হতে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ২৭/১০/২০১৮ তারিখ এর শুভ উদ্বোধন করেন।জেলার প্রধান সরকারি এ হাসপাতালে বর্তমানে ডাক্তারের অধিকাংশ পদ শূন্য রয়েছে। শূন্য পদে দীর্ঘদিন প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তার পদায়িত না হওয়ায় বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ১০০ শয্যা হতে ২৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও কোড পরিবর্তন (1270211 হতে 1270210) না হওয়ায় প্রশাসনিক অনুমোদনসহ ২৫০ শয্যার বিপরীতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হচ্ছে না বিধায় ভর্তি হওয়া সকল রোগীদের খাবার ও অন্যান্য সুবিধাদি নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছিল না।
উল্লেখ্য যে, বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের বহিঃবিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৮০০-১১০০ জন রোগী চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন এবং ৩০০-৩৬০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন।
হাসপাতালের এই চরম দুরবস্থার চিত্র অত্যন্ত গভীরভাবে উপলব্ধি করেন বরগুনা জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক জনাব মোহা‌ঃ রফিকুল ইসলাম।

বরগুনা জেলায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনসহ স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গুণগত ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার নিমিত্ত জরুরীভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কনসালটেন্ট ও মেডিকেল অফিসার এবং কর্মচারী পদায়ন, ১০০ শয্যা হতে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের প্রাতিষ্ঠানিক কোড পরিবর্তন এবং আসবাবপত্র সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য
জেলা প্রশাসক মহোদয় তাৎক্ষণিকভাবে সচিব স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় , বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা বরাবর চিঠি লিখেন।
একই সাথে তাঁর ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিন ধরে না হওয়া হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা আয়োজনের পদক্ষেপ নেন।
কোড পরিবর্তন নাহওয়ায় ১০০ শয্যার বিপরীতে এতদিন যাবত প্রতি রোগীর জন্য খাবারের বরাদ্দ ছিল ১২৫ টাকা।
সেই হিসেবে ৩৬৫ দিনে এই হাসপাতালে খাবারের বিপরীতে মোট খরচের পরিমাণ ছিল ১২৫×১০০×৩৬৫ = ৪৫ লক্ষ ৬২ হাজার ৫ শত টাকা।

কিন্তু বর্তমানে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের বলিষ্ঠ উদ্যোগে প্রতি রোগীর বিপরীতে ১৭৫ টাকা হারে খাবার খরচ বাবদ মোট ১ কোটি ৫৯ লাখ টাকার বরাদ্দ অনুমোদন হয়। একই সাথে কোড পরিবর্তনের প্রশাসনিক অনুমোদনের কাজ চলমান থাকায় ২৫০ শয্যার বিপরীতে এই বরাদ্দ কোনরূপ সমস্যা ছাড়াই ব্যবহার করা যাবে।

বরগুনা জেলার মান্যবর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাঃ রফিকুল ইসলাম মহোদয়ের এমন বলিষ্ঠ উদ্যোগ এবং সাহসী পদক্ষেপের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন।

আশা করি তাঁর হাত ধরে বরগুনা জেলার স্বাস্থ্যসেবার মানের যুগোপযোগী পরিবর্তন ঘটবে। বরগুনার মানুষ গুণগত ও মানসম্পন্ন এবং আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা লাভ করতে সক্ষম হবে।

শেয়ার করুন

আরো দেখুন......