1. admin@dailyoporadhonusondhanltd.net : admin :
শিরোনামঃ
শ্রীপুর পৌর ৬ নং ওয়ার্ড পূর্ব পাড়া গ্রামে মুরুব্বী,ছাত্র ও যুবকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে শেরপুরের শ্রীবরদীতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার মামলায় ধর্ষক গ্রেপ্তার জনাব আকবর আলী খান, পিপিএম, অফিসার ইনচার্জ, শ্রীপুর থানা। গাজীপুর জেলায় মার্চ/২০২৪ মাসের অপরাধ সভায় শ্রেষ্ট অফিসার নির্বাচিত হন। আমতলীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ,হাসপাতালে তীব্র শয্যা সংকট র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম’র অভিযানে ১২ বছরের শিশু আজিম হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রনি আক্তার ০৮ বছর পর  গ্রেফতার। শেরপুরের ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে বিবাহ, অর্থ আত্মসাৎ প্রদানকারীর সহযোগী গ্রেপ্তার এশিয়ান টেলিভিশনের কুতুবদিয়া প্রতিনিধির উপর হামলা গোবিন্দগঞ্জে মাহবুর হত্যার আসামিদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাগেরহাট কল্যাণ সোসাইটি’র ঈদ পূর্ণমিলনী সম্পন্ন জামিন চেয়ে আবারও আবেদনের প্রস্তুতি মিন্নি’র

বরগুনার বেতাগী উপজেলার বুড়া মজুমদার ইউনিয়নের অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি টাকা হরিলুট

  • আপডেট সময়ঃ বুধবার, ৫ জুলাই, ২০২৩
  • ৫০ জন দেখেছেন

বরগুনা জেলা সংবাদদাতাঃ বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার বুড়া মজুমদার   ইউনিয়নে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির  টাকা হরিলুট করেছে ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বর এবং পিআইও অফিস । দক্ষিণ করুণা গ্রামের আনসার আলী  ও সোহরাপ বয়াতি বলেন  আমাদের নাম আছে

শুনলাম আপনার কাছে অনেক দিন আগে কুরুনা পরিষদ ভবনের ২য় তলায় বসিয়া আমাদের নামে মোবাইল সিম ক্রয় করিয়া বিকাশ করাইয়া চেয়ারম্যান সিম রেখে দেয়। শুনছি খাল কাটতে বেকু আনছে সই বেকু দিয়া রাস্তার কাজ করাইছে, আমাদের ভাগ্যে কাজ জোটে নাই। ভাই আপনাদের কাছে সাক্ষাৎকার দিলাম এলাকায় থাকতে পারি না পারি সন্দেহ ।

তারপরেও আমার নামে যে টাকা আসছে সেই টাকার কাজ করে  আমি সিম সহ নিতে  চাই। সরকার আমাদের  অতি দরিদ্র মানুষের জন্য সহযোগীতা করতে চায় কিন্তু তা খেয়ে ফেলে চাটার দল মেম্বার চেয়ারম্যানরা। ৪০দিনের কর্মসূচি লেবারের নামের সিমে বিকাশ  থাকলেও সে সিমগুলো জমা রয়েছে সিপিসি ও চেয়ারম্যান দের কাছে। সোমবার ( ৩ জুলাই)  বুড়ামজুমদার ইউনিয়ন পরিষদে গেলে চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম রব  শুক্কির মিয়া বলেন আপনার পত্রিকার নামই শুনি নাই,  কতো সাংবাদিক আইলো আর গেলো কিছুই  হইল না। তিনি বলেন লেবার তালিকা খোজাখুজি করে কি লাভ কাজ করাইছি বেকু দিয়া। গা ডাকা দিয়ে তিনি পরিষদ থেকে চলে যান।

ইউনিয়ন পরিষদ সচিব  সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে  বলেন ভাই অনেক বিপদে আছি এখান থেকে যাওয়ার জন্য আবেদন করছি বরগুনা জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর বদলি হলেই চলে যাবো। আমাকে চেয়ারম্যানের কোন কাজে লাগে না।

ইউনিয়ন পরিষদ সচিব বা তথ্য সেবা কেন্দ্রের পরিচালক দিয়ে কম্পিউটার কম্পোজের কাজ করানোর কথা থাকলেও কিন্তু করে চেয়ারম্যানের ভাইগ্না বাড়ি বসে। কি কাজ আসে, কি কাজ করে তা আমার জানা নাই।

সিপিসি ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য  সঞ্জয় কুমার মন্ডল  বলেন লেবার আমি চিন না পিআইও অফিস থেকে তালিকা নিয়ে খুজে নেন। আমি প্রকল্প কাজ করাইছি ড্রেজার দিয়া।

 

এ বিষয়  জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন আমি  জানিনা খোজ নিয়ে  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।

শেয়ার করুন

আরো দেখুন......