1. admin@dailyoporadhonusondhanltd.net : admin :
শিরোনামঃ
শ্রীপুর পৌর ৬ নং ওয়ার্ড পূর্ব পাড়া গ্রামে মুরুব্বী,ছাত্র ও যুবকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে শেরপুরের শ্রীবরদীতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার মামলায় ধর্ষক গ্রেপ্তার জনাব আকবর আলী খান, পিপিএম, অফিসার ইনচার্জ, শ্রীপুর থানা। গাজীপুর জেলায় মার্চ/২০২৪ মাসের অপরাধ সভায় শ্রেষ্ট অফিসার নির্বাচিত হন। আমতলীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ,হাসপাতালে তীব্র শয্যা সংকট র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম’র অভিযানে ১২ বছরের শিশু আজিম হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রনি আক্তার ০৮ বছর পর  গ্রেফতার। শেরপুরের ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে বিবাহ, অর্থ আত্মসাৎ প্রদানকারীর সহযোগী গ্রেপ্তার এশিয়ান টেলিভিশনের কুতুবদিয়া প্রতিনিধির উপর হামলা গোবিন্দগঞ্জে মাহবুর হত্যার আসামিদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাগেরহাট কল্যাণ সোসাইটি’র ঈদ পূর্ণমিলনী সম্পন্ন জামিন চেয়ে আবারও আবেদনের প্রস্তুতি মিন্নি’র

ইলিপন চাকমা’কে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ হইতে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন

  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৯১ জন দেখেছেন

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:- রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ইলিপন চাকমা দলীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবসে দলীয় কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে নিরুৎসাহিত করা, দলীয় বিরোধী কর্মকান্ড করা, দলের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করা ও দলীয় সকল নেতাকর্মীদের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণ করায় বিগত (১৬ এপ্রিল) নানিয়ারচর উপজেলা আওয়ামীলীগ এর কার্য নির্বাহী সভায় দুই-তৃতীয়াংশের অধিক সদস্যর একমত ও উপস্থিতি সবার সর্বসম্মতিক্রমে তাকে দলের সাধারণ সম্পাদক পদ হইতে অব্যাহতির জোর দাবী জানান যার ফলশ্রুতিতে রেজুলেশন সহকারে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের বরাবরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে।

 

বুধবার (১৯ এপ্রিল) নানিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল ওহাব হাওলাদার  জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের হাতে অব্যাহতির আবেদনের সাথে কার্যনির্বাহী সভার রেজুলেশন সহ জমা দেন।

 

অভিযোগে নানিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগ উল্লেখ করেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিপন চাকমাকে বারংবার সভা আহবানের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল ওহাব হাওলাদার নির্দেশ প্রদান করলেও তিনি বিভিন্ন অজুহাতে অসম্মতি জানান। যার ফলে সভাপতি দলীয় স্বার্থে গঠনতন্ত্রের ২২(ক) ধারার ক্ষমতা বলে গত ১৬/০৪/২০২৩খ্রিঃ (রবিবার) নানিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে উপজেলা কার্যনির্বাহী সভা আহবান করেন।  উক্ত সভায় উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহী পরিষদের ৭১(একাত্তর) জন সদস্যের মধ্যে ৫১ (একান্ন) জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। ১২ (বার) জন সদস্য পারিবারিক কাজে এলাকা বাহিরে থাকায় সভায় উপস্থিত হতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেন। অপরাপর সদস্যদের প্রচার সম্পাদকের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক সভায় উপস্থিত না থাকার জন্য নিরুৎসাহিত করেন।

 

অনেকে সাধারণ সম্পাদকের কথা না শুনে যথাসময়ে সভায় উপস্থিত হন। কার্যনির্বাহী পরিষদের দুই তৃতীয়াংশের অধিক সদস্যের বক্তব্য ও দাবীর প্রেক্ষিতে নিয়ে উল্লেখিত কারণে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব ইলিপন চাকমাকে দল থেকে অব্যাহতি প্রদানের দাবী জানান।

 

কারণ সমূহঃ-

১। রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামীলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের তাহার পছন্দের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নির্বাচিত না হওয়ায় মন-ক্ষুন্ন হয়ে তিনি দলের প্রতি আনুগত্য না থেকে দলীয় ও জাতীয় দিবস সমূহে অংশ গ্রহণে অনিহা দেখাচ্ছেন।

 

২। তিনি গত ১৭ই মার্চ, ২৫শে মার্চ জাতীয় দিবসে উপস্থিত ছিলেন না। ১৭ই মার্চ দলীয় ও জাতীয়

পতাকা উত্তোলনের সময় তাহাকে পতাকা উত্তোলনের জন্য আহবান করা হলেও তিনি পতাকা উত্তোলনের অনিহা জানান। যাহা সংগঠন পরিপন্থী ও রাষ্ট্রদ্রোহীতার সামিল।

 

৩। ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে নিজে দলীয় কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ করেননি। উপরন্তু তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের মুঠোফোনে জাতীয় ও দলীয় কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ না করার জন্য বাধা প্রদান করেন। যাহা সংগঠন পরিপন্থী ও রাষ্ট্রদ্রোহীতার সামিল। (বাধা প্রদানের অডিও রেকর্ড সংযুক্ত ও সংরক্ষিত)।

 

৪। বিগত ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের পক্ষে কোন প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেননি। উপরন্তু দলীয় মনোনীত প্রার্থীদের বিরোধীতা করার কারণে স্বল্প সংখ্যক ভোটের ব্যবধানে দলীয় প্রার্থীরা পরাজিত হন। এমনকি তিনি নিজেও ভোট প্রদান হতে বিরত ছিলেন।

 

৫। বিভিন্ন সময়ে দলীয় সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে যোগাযোগ করলে অসৌজন্য মূলক আচারণ করেন। যার ফলশ্রুতিতে নেতাকর্মীরা মনক্ষুন্ন ও ক্ষোভে ফুশছেন। তিনি সব সময় টেন্ডার বাণিজ্য ও অধিগ্রহণ বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে দলকে মোটেও সময় দিতে পারেন না। তাছাড়া তিনি

দলীয় ও জাতীয় কর্মসূচী বিষয়ে কারোর সাথে কোন প্রকার প্রস্তুতি সভা বা পরামর্শ গ্রহণ না করে তাহার একক সিদ্ধান্ত যেকোন সময় চাপিয়ে দিতেন। যে কারণে দলীয় বা জাতীয় কর্মসূচী পালন নিয়ে প্রায়শই ১০/১৫ জন দলীয় কর্মীদের নিয়ে পালন ও উদযাপন করতে হয়।

 

এমতাবস্থায় কার্য নির্বাহী সভার দুই তৃতীয়াংশের অধিক সদস্যের দাবী ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের

আলোকে এবং কার্যবিবরণী বিচার বিশ্লেষণ করিয়া সংগঠনের স্বার্থে অতিদ্রুত গঠনতন্ত্রের ৪৭ (ঞ) ধারায় ইলিপন চাকমাকে নানিয়ারচর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ হইতে অব্যাহতি প্রদানের জন্য জোর দাবী জানান।

 

এর আগে বিগত ১৬ এপ্রিল (রবিবার) উপজেলা আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠিত কার্যনিবাহী সভায় ইলিপন চাকমা’র বিরুদ্ধে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত দলীয় কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের অনেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে নিরুৎসাহিত করা সহ নানা অভিযোগ উঠে।

 

সভায় উপস্থিত সকলেই ইলিপন চাকমা নেতাকর্মীদের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণ, নানিয়ারচর আওয়ামীলীগকে কোন্দলে পরিনত করাসহ দলীয় এমনকি জাতীয় কর্মসূচি পালনে যে অনীহা তারই বিষয়ে সকলেই তুলে ধরেন। তাছাড়া তিনি দলীয় বা জাতীয় কর্মসূচি পালনে প্রস্তুতি সভা না করার ফলে অনেক সময় তাহার সাথে দলীয় কর্মীদের বহুভাবে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ার কথা তোলেন।

 

সর্বোপরি বিগত ইউপি নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিপন চাকমার বিরুদ্ধে ২ জন নৌকার প্রার্থী বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আব্দুল ওহাব হাওলাদার ও যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. দর্শন চাকমা ঝন্টুর বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার কথা উত্থাপন করা হয়। সেসময় যে কারনে তিনি কোন ইউনিয়নে নৌকার পক্ষে কোন প্রকার নির্বাচনি প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেন নি। বরং নৌকাকে পরাজিত করার জন্য ইউপি সদস্যদের পক্ষ নিয়ে দলীয় কর্মীদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন।

 

বক্তাদের মতে দুঃখজনক হলেও সত্যি তিনি তাহার নিজস্ব ভোটটি পর্যন্ত দেননি যা অত্যন্ত দুঃখজনক  ও দলের বিরোধিতার সামিল কাজ বলে সবাই মন্তব্য করেন। উক্ত সভায় উপস্থিত সকলে ইলিপন চাকমা এর সমস্ত অভিযোগসমুহ সহ জেলা আওয়ামী লীগের বরাবরে রেজুলেশন আকারে প্রেরণ করার অনুরোধ জানান।

 

বক্তারা আরো অভিযোগে বলেন, এছাড়াও তিনি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা পরিষদের টেন্ডার এবং ব্যবসায়ী কাজে ব্যস্ত থাকার জন্য দলকে সময় দিতে পারেন না। এমনকি তিনি ২৬ মার্চ জাতীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ না করে উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে তার নিজস্ব টেন্ডার সাইট পরিদর্শনে ব্যস্ত ছিলেন। এবং জেলা পরিষদের সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা সহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক প্রকল্প গ্রহণে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও দলের কোন নেতাকর্মীদের সাথে সমন্বয় করেন না বলে নেতাকর্মীরা অভিযোগ তোলেন।

 

তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মামুন ভূইয়া ইলিপন চাকমা’র সপক্ষে বক্তব্যে রেখে বলেন ইতিমধ্যে ইলিপন তিন হাজার নেতাকর্মীদের সহযোগিতা দিয়েছেন। পরে তার বক্তব্য জবাবে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক প্রিয়তোষ দত্ত বলেন, যদি ইলিপন তিন হাজার নেতাকর্মীদের সহযোগিতা দিয়ে থাকেন তাহলে দলীয় প্রোগ্রাম কেন ৬/৭জন

নেতাকর্মীদের কে নিয়ে করতে হয়? উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতির তথ্য মতে উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠন মিলে প্রায়ই ২১৬০ জন নেতাকর্মী রয়েছে।

 

 

এ বিষয়ে আব্দুল ওহাব হাওলাদার প্রতিবেদককে বলেন, আমি কার্য নির্বাহী সভায় সকল নেতৃবৃন্দের কথা ও অভিযোগ শুনেছি। একজন কর্মির অডিও রেকর্ড শুনেছি। এখানে সাধারণ সম্পাদক ইলিপন চাকমা ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তিনি দায়িত্ব শীল ব‍্যক্তি হয়ে এ ধরনের মন্তব্য দিতে পারেন না। তার মন্তব্য টি গঠনতন্ত্র পরিপন্থি। কার্যনির্বাহী সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বিষয় জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক বরাবরে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।

 

 

উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ধর্মেশ খীশা বলেন, স্বাধীনতার মতো জাতীয় কর্মসূচিতে দলীয় নেতাকর্মীদের নিরুৎসাহিত করা এটা সম্পূর্ণ গঠনতন্ত্র পরিপন্থী। এমনকি ইউপি নির্বাচনের সময় ইলিপন চাকমা নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে সর্বত্রভাবে কর্মকাণ্ড পরিচলাননা করেন। এছাড়াও তিনি তার আত্মীয় স্বজন ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকে নৌকা মার্কায় ভোট না দেওয়ায় নির্দেশনা প্রদান করেন৷ যাহা একটি দলীয় বিরোধী কর্মকাণ্ড। রেকর্ডটি শোনার পর আমরা সকলেই হতাশ হয়েছি। দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে তার দায়িত্বশীল হওয়ার প্রয়োজন ছিল।

 

তিনি আরো বলেন, যারা এইধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন সংগঠনের স্বার্থে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমি জেলা আওয়ামী লীগের অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ করছি। এছাড়াও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দীপংকর তালুকদার এমপি’কে বিজয়ি করার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে থেকে সকলকে কাজ উদাত্ত আহ্বান করেন।

 

সাংগঠনিক সম্পাদক ঝিল্লোর মজুমদার বলেন, সংগঠনের প্রয়োজনে যারা সংগঠন বিরোধিতা ও স্বাধীনতার বিরোধিতা করেন তাদের বিরুদ্ধে অতিদ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দীপংকর তালুকদার এমপি’কে বিজয়ী করার লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নৌকা মার্কা উপহার দেওয়ার আহবান জানান। ইলিপন চাকমা তাহার কর্মকান্ডে একজন উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক পদ ধরে রাখার কোনভাবেই যোগ্য নন তাই তার বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিকভাবে কঠোর শাস্তি দেওয়ার আবেদন জানান।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নানিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিপন চাকমা বলেন, যারা চাকরি বানিজ্য, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাভোগী পরিবার সমূহ থেকে অর্থ গ্রহণ সহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়িত এমন একটি মহল আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ এনেছে। তৃণমূল পর্যায়েরতৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের থেকে জানা যাবে আমি দলের জন্য কতটুকু সময় দিই।

 

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মুসা মাতব্বর জানান, এমন একটি অভিযোগ আমার কাছে পৌচেছে। দলীয় মিটিংয়ের পরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

শেয়ার করুন

আরো দেখুন......