1. admin@dailyoporadhonusondhanltd.net : admin :
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাব, কেন্দ্রীয় স্হায়ী কমিটির পক্ষে,শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন।  অমর একুশে ফেব্রুয়ারি “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস” উপলক্ষে গড়গড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। রাজশাহীর বাঘায় যথাযথ মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। যোগ্য ও দক্ষতার সাথে খোকা নতুন লুকে টেলিভিশনের পর্দায় আসার সম্ভাবনা। ঝিনাইগাতী শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন আমতলীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি, বাঘায় রুকুনুজ্জামান রিন্টু ভালুকায় একুশে প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদের প্রতি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি’র শ্রদ্ধা- কালাইয়ে মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

বাঘাইছড়িতে “বান্দরবানে ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন ও আন্দোলনে পিসিপির ভুমিকা” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্টিত ll

  • আপডেট সময়ঃ বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০২৩
  • ২৭ জন দেখেছেন

বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি: “নব্বই দশকের ছাত্র-গণজাগরণের চেতনায় লড়াই সংগ্রাম সংগঠিত করুন” শ্লোগানে ‘১৯৯৫ সালে বান্দরবানে ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন ও আন্দোলনে পিসিপির ভুমিকা” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

আজ ১৫ মার্চ ২০২৩, বুধবার ইউপিডিএফ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের উদ্যোগে এই আলোচনা সভা অনুষি।ঠত হয়।

 

সভায় বৃহত্তর পার্বত্য চট্রগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)-এর বাঘাইছড়ি উপজেলা সভাপতি লেলিন চাকমার সভাপতিত্বে ও সুজন চাকমার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ইউপিডিএফ সংগঠক রিয়েল চাকমা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘের বাঘাইছড়ি উপজেলা শাখার সদস্য সুজলা চাকমা প্রমুখ।

 

রিয়েল চাকমা তার বক্তব্যে বলেন, পিসিপি’র গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে আন্দোলন বেগবান করতে হলে ছাত্র সমাজকে ইতিহাস জানতে হবে, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। নব্বই দশকে পিসিপি’র নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রামে যে ছাত্র-গণআন্দোলন গড়ে উঠেছিল সে আন্দোলনের অংশ হচ্ছে ১৯৯৫ সালের ১৫ মার্চ বান্দরবানে ১৪৪ ধারা লঙ্ঘনের ঘটনা।

 

তিনি সেদিনের ঘটনা সম্পর্কে বলেন, বান্দরবানে পিসিপি জেলা সম্মেলন ভণ্ডুল করে দেয়ার জন্য তৎকালীন বিএনপি সরকার ও তার দোসররা তুমুল ষড়যন্ত্র শুরু করে। তার ফল স্বরুপ তারা ‘বান্দরবানের শান্তিপ্রিয় জনগণ” নামে একটি ভুঁইফোড় সংগঠন জন্ম দিয়ে ১৫ মার্চ প্রশাসনকে দিয়ে ১৪৪ ধারা জারি করায়। কিন্তু এর মধ্যে বিএনপি নেতা দালাল সাচিং প্রু জেরির লেলিয়ে দেয়া গুন্ডারা মিছিল বের করে পাহাড়ি বিদ্বেষী উস্কানি দেয়। এতে পিসিপিও ১৪৪ ধারা অমান্য করে মিছিল বের করলে পুলিশ মিছিলে বাধা দেয়। এতে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায়ে সেটলার বাঙালিরা পিসিপি’র নেতা-কর্মীদের উপর হামলা চালায়। এতে পিসিপি’র ৭ জন নেতাকর্মী আহত হন। হামলাকারী দুর্বৃত্তরা আশে-পাশের দুটি পাহাড়ি গ্রামেও আক্রমণ করে, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়।

 

তিনি বলেন, নব্বই দশকে পিসিপি বান্দরবানের মতো বিভিন্ন জায়গায় নানা বাধা-বিপত্তি ও ঘাত-প্রতিঘাত মোকাবেলা করে তীব্র ছাত্র-গণআন্দোলনের জোয়ার সৃষ্টি করেছিল। কোন বাধার কাছে পিসিপি দমে যায়নি। ১৯৯৭ সালে চুক্তির পর জেএসএস পিসিপি’র একটি অংশকে প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে আন্দোলন দুর্বল করে দিতে চেয়েছে। কিন্তু তারপরও মূলধারার পিসিপি পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের দাবি নিয়ে আন্দোলনে অবিচল রয়েছে।

 

তিনি নব্বই দশকের ন্যায় ছাত্র-গণআন্দোলন সংগঠিত করতে ইউপিডিএফের পতাকাতলে সমবেত হওয়ার জন্য ছাত্র সমাজের প্রতি আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন

আরো দেখুন......