1. admin@dailyoporadhonusondhanltd.net : admin :
শিরোনামঃ
গোপালগঞ্জে হেলমেট বিহীন চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন ডিসি কাজী মাহবুবুল আলম ফরিদপুর মেডিকেলের পরিচালককে প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিকদের সড়ক অবরোধ গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় অভিযান চালিয়ে জব্দকৃত নিষিদ্ধ চায়না জাল ধ্বংস র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-১১ এর  যৌথ অভিযানে নানা-নাতনি নিহত’ শিরোনামের চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘাতক চালক ফেনী থেকে গ্রেফতার। প্রধান শিক্ষকের গাফিলতিতে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত অংশগ্রহণকারীদের ভোগান্তি অস্ত্রসস্ত্র ও গুলি সহ ভূয়া ডিবি পুলিশ আটক জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গয়না, জলিরপাড়ের ব্রোঞ্জ পল্লীতে আনন্দ উল্লাস ফুলপুর ৫নং সদর ইউনিয়নের শিমুলতলা হতে ডেঁফুলিয়া পযর্ন্ত রাস্তা উদ্ধোধন করলেন শরীফ আহমেদ এমপি শ্রীপুরে জমি নিয়ে বিরোধে আপন চার ভাইয়ের থানায় অভিযোগসহ কোর্টে মামলা। “কেয়া বৃত্তি শিক্ষায় সৃজনশীলতা ও মেধা বিকাশে সহায়ক”

চার বছরের আপন কন্যাসন্তানকে হত্যা করে থানায় আত্মসমর্পণ করলেন খুনি মা

  • আপডেট সময়ঃ শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২২
  • ৮৫ জন দেখেছেন

মীর মোঃ- আতিকুজ্জামান(সদর জয়পুরহাট)প্রতিনিধি- জয়পুরহাটে ভাড়া বাসায় চার বছরের আপন কন্যাসন্তানকে হত্যা করে থানায় আত্মসমর্পণ করেছে খুনি মা।

 

বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে সদর থানার সামনে ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত ব্যক্তি জয়পুরহাট পৌর এলাকার বারিধারা এলাকায় নয়ন কুমার পালের কন্যাসন্তান কনিনিকা পাল হিয়া (৪) । তাদের স্থায়ী ঠিকানা বগুড়া জেলার নন্দিগ্রাম উপজেলার আমড়া গোহাইল গ্রামের বাসিন্দা। তারা ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

 

জানা গেছে, নয়ন কুমার পাল জয়পুরহাট শহরে ২০১১ সালে সোনালী ব্যাংকে ক্যাশ ইনচার্জ পদে যোগদান করেন। এরপর নয়ন তার স্ত্রী মৌমিতা পাল তার সাড়ে চার বছরের কন্যা সন্তান রিয়াকে নিয়ে শহরের বারিধারা মহল্লায় অ্যাডভোকেট সন্দিপের বাসায় তিন তলায় একটি ফ্লাটে বসবাস করতেন। বর্তমানে তিনি পাঁচবিবি উপজেলাতে সোনালী ব্যাংকে কর্মরত।

 

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে নিহত শিশুটির বাবা তার কর্মস্থলে গিয়ে তার সন্তানের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন। এর কিছু পরেই থানা থেকে ফোন পান তার সন্তানকে তার স্ত্রী গলায় চার্জারের তার দিয়ে পেঁচিয়ে হত্যা করে।

 

নিহত শিশুর বাবা নয়ন কুমার বলেন, তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক সমস্যা ছিলো। সকালে ব্যাংকে গিয়ে সন্তানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন। এর কিছু পরই থানা থেকে ফোন পান তার সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে। এর সঠিক তদন্ত চান তিনি।

 

এ বিষয়ে জয়পুরহাট সদর থানার অফিসার (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, কন্যা শিশুটিকে চার্জারের তার দিয়ে পেঁচিয়ে হত্যার পরই তার মা থানায় এসে আত্মসমর্পণ করে। এ সময় হত্যার বিবরণ দিয়েছেন। মূলত পারিবারিক কলোহে তার সন্তানকে হত্যা করেছেন তিনি। হত্যার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখছেন। মরদেহ উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

আরো দেখুন......