1. admin@dailyoporadhonusondhanltd.net : admin :
শিরোনামঃ
গোপালগঞ্জে হেলমেট বিহীন চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন ডিসি কাজী মাহবুবুল আলম ফরিদপুর মেডিকেলের পরিচালককে প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিকদের সড়ক অবরোধ গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় অভিযান চালিয়ে জব্দকৃত নিষিদ্ধ চায়না জাল ধ্বংস র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-১১ এর  যৌথ অভিযানে নানা-নাতনি নিহত’ শিরোনামের চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘাতক চালক ফেনী থেকে গ্রেফতার। প্রধান শিক্ষকের গাফিলতিতে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত অংশগ্রহণকারীদের ভোগান্তি অস্ত্রসস্ত্র ও গুলি সহ ভূয়া ডিবি পুলিশ আটক জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গয়না, জলিরপাড়ের ব্রোঞ্জ পল্লীতে আনন্দ উল্লাস ফুলপুর ৫নং সদর ইউনিয়নের শিমুলতলা হতে ডেঁফুলিয়া পযর্ন্ত রাস্তা উদ্ধোধন করলেন শরীফ আহমেদ এমপি শ্রীপুরে জমি নিয়ে বিরোধে আপন চার ভাইয়ের থানায় অভিযোগসহ কোর্টে মামলা। “কেয়া বৃত্তি শিক্ষায় সৃজনশীলতা ও মেধা বিকাশে সহায়ক”

যশোরে এসিড সন্ত্রাসী,প্রতারক ও মামলাবাজ আছমার কুকর্মের গোমর ফাঁস

  • আপডেট সময়ঃ রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৪২ জন দেখেছেন

মোঃ রজিবুল ইসলাম,ব্যুরো প্রধান(খুলনা বিভাগ):- যশোরের বসুন্দিয়া (ঘুনী) এলাকার বহুলালোচিত মহিলা এসিড সন্ত্রাসী, প্রতারক ও মামলাবাজ আছমার কুকর্মের গোমর ফাঁস।তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ।

যশোরের বসুন্দিয়া অভয়নগর সীমান্তে ঘুনীর বহুলালোচিত মহিলা এসিড সন্ত্রাসী,প্রতারক,মামলাবাজ আছমার কুকর্মের গোমর ফাঁস হয়েছে।

এ ব্যপারে এলাকাবাসী তার কুকর্মের তথ্য উর্দ্ধতন পুলিশ প্রশাসনের কাছে জমা দিয়েছেন। চলতি মাসের ১১ (অক্টোবর) মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে যশোর কোতয়ালী থানায় পর পর দুইটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আছমার মিথ্যা অভিযোগে একাধিক মামলার আসামী ইতো মধ্যে আদালত থেকে রেহাই পেয়েছেন।এ ছাড়াও পুলিশের খাতা থেকে এক এক করে মিথ্যা মামলার তদন্ত স্বাপেক্ষে মিথ্যা প্রমানিত হচ্ছে।

যশোর সদর উপজেলার ঘুণির শাখারিপাড়ার বহুলালোচিত মোছাঃ আছমা আক্তার (৩৬)। তিনি নিজেকে বাচাঁতে নিত্য নতুন ফন্দি আটছেন। তার মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি চেয়ে এলাকার আব্দুল গফুর ব্যাপারি,শফিক ভুইয়া,মনিরুল ইসলাম মনির,আবুল কালাম আজাদ,শাহজালাল ব্যাপারি,শাহ আলম ব্যাপারি,জেসমিন আক্তার, সৈয়েদা আক্তার,নাসরিন বেগম, নাজমা বেগম,নাসিমা আক্তার,অন্তু রহমান,জামাল হোসেন,নাজিম হোসেন,কামরুল হোসেন,খয়বার খাঁ, বাদশা মিয়া,টুকু হোসেন,মিল্টন হোসেন,আব্বাস ইসলাম,মোতালেব হোসেন,নুর ইসলাম,নুর আলি, রফিকুল ইসলাম,আলা ব্যাপারি, করিম ব্যাপারি,সবুজ হোসেন, আফরোজা বেগম,সেতু বেগম, বিলকিস বেগম,মরিয়ম বেগমসহ অন্যন্যেরা পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আগে মিথ্যা মামলা থেকে রেহায় পেতে এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলনসহ মানববন্ধনে করেন। আছমার করা মনিরের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও অর্থ আত্মসাৎ মামলায় পুলিশের তদন্তে মিথ্যা প্রমানিত ও ডাক্তীর পরিক্ষায় ধষর্নের কোন আলামত মেলেনি। বিষয়টি নিয়ে ইতো মধ্যে আছমার চক্রান্তের গোমর ফাঁস হয়েছে। বর্তমানে সে নতুন কৌশল করে আবারও থানা ও প্রশাসনের দপ্তরে যেয়ে কান্নাকাটি করে এলাকাবাসীদের হয়রানী করার পায়তারা করছেন বলে জানায় এলাকাবাসী।বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়ায় ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদিকদের সাথে ও প্রতারণা করছেন। তার এই অভিযোগের হাত থেকে রক্ষা পেতে থানা পুলিশের স্বরনাপন্ন হয়েছেন ভুক্তভোগিরা। নাভারণ এলাকায় তার প্রথম স্বামী প্রবাসী আরিফুল ইসলাম পিন্টুর আয়করা সমস্থ অর্থ প্রতরানার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। স্বামী প্রবাসে থাকা অবস্থায় তিনি বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। যার প্রমাণ ঝিকরগাছা থানার বাকী করিম আলী গ্রামের শুকুর আলীর সঙ্গে মিথ্যা বিয়ের প্রতারনা করে ৫ লাখ টাকা আদায় করেন। এরপর নাভারণ গ্রামের রাজু আহমেদের সাথে প্রেমের ফাঁদে ফেলে মোবাইলসহ মোটা অংকের অর্থ হাতিতে নেয়। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বসুন্দিয়া, ঝিকরগাছা, নাভারণ, শার্শা, বেনাপোল যশোরসহ অনেক কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ও আছে। ভুক্তভোগিদের মধ্যে জেসমিন বেগম (৩০) বলেন, আছমা আক্তার আমার নামে থানায় ও আদালতে ১৪টি মামলা করে। তার কারণে এই এলাকাবাসী সাধারণ মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে। ওই নারীর মাদক সেবন এবং এলাকায় আপত্তিকর কাজে বাঁধা দেয়ায় আমি মিথ্যা মামলার ঘানি টানছি। অসহায় নাসরিন খাতুন বলেন, নিজের ছোট ভাইয়ের সাথে আমাকে বিয়ে দিয়ে বর্বোচিত নির্যাতন করে দিনের পর দিন ভাতের পরিবর্তে পশু খাদ্য খাইয়ে এবং এসিডে মুখ ঝলসে দিয়েছে। মামলাবাজ আছমার হাত থেকে রক্ষা পেতে এবং অপকর্মের প্রতিবাদ করায় ওই নারী মনিরুল ইসলাম মনিরকে স্বামী দাবি করে আদালতে মিথ্যা মামলা করে হয়রানী করে আসছে। সেই সাথে একের পর এক ষড়যন্ত্রের শিকার করছেন তাকে। প্রবীণ আব্দুল গফুর ব্যাপারি(৭২) বলেন, আছমা আক্তার এলাকায় বেপরোয়া চলাফেরা করতেন। এর  প্রতিবাদ করাতেই আমাকে জড়িয়ে ডাকাতি ও চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করে। ভুক্তভোগী ও বাদী মনিরুল ইসলাম বলেন, অনেকই তার কাছ থেকে ডাকাতি ও ধর্ষণ মামলা থেকে বাদ যায়নি। বর্তমানে যশোর আদালত সংলগ্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকেও সে একের পর এক ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেকেই মিথ্যা মামলার ঘানি টানতে টানতে এবং নানা ষড়যন্ত্রের মুখে পড়েছেন। মামলাবাজ ভয়ংকর এ নারীর হাত থেকে পরিত্রাণ চেয়ে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ ব্যপারে যশোর কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ তাজুল ইসলাম বলেন, ওই মহিলার ব্যপারে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

আরো দেখুন......