1. admin@dailyoporadhonusondhanltd.net : admin :
শিরোনামঃ
বাগেরহাট ৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বলইবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। রান্নার কাজে ব্যস্ত মা, খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেজাউল করিম স্যারকে কেয়া’র পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন (দ্বিতীয় ধাপ) উপলক্ষে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন সংক্রান্তে ব্রিফিং কালাইয়ে চলতি মৌসুমে হিমাগারে আলুর ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে চাষীদের মানববন্ধন রাজা তার নিজ বাড়ীতে খাবার খায় না দশ বছর। বদলগাছী ঐতিহাসিক পাহাড় পুর বৌদ্ধ বিহার আন্তজাতিক যাদুঘর দিবস পালিত। শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে গরুচোর চাক্রের ৫সদস্য গ্রেপ্তার আমতলীতে মহাসড়কের দু’পাশে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শেষ মুহূর্তের প্রচার প্রচারণায় এগিয়ে আবুল কাশেম রাজের দোয়াত কলম মার্কা

লালপুরে শিক্ষিকার এমপিও নিয়ে তদবির, উপপরিচালকের কল রেকর্ড ফাঁস!

  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২২
  • ৩৮১ জন দেখেছেন

লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি:

নাটোরের লালপুরে কামরুন্নাহার নামে এক শিক্ষিকা অর্থের বিনিময়ে এমপিওভুক্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত সেপ্টেম্বরে উপজেলার গোপালপুর ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি পর্যায়ের ওই শিক্ষিকা এমপিওভুক্ত হয়েছেন।

 

গত জুনে তিনি এমপিও আবেদন করলেও নিবন্ধন সনদ জটিলতায় ওই সময় আবেদন বাতিল করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) রাজশাহীর আঞ্চলিক পরিচালক। মাউশির নির্দেশনা মেনে পরের দফা ফের আবেদন করেন কামরুন্নাহার। এরপর এমপিও পেতে শুরু হয় জোর তদবির। ওই সময় কামরুন্নাহারের মামা মকবুল হোসেন আঞ্চলিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক প্রফেসর মাহবুবুর রহমান শাহের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করেন। তাদের সেই কথোপকথনের কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

প্রকাশ হওয়া ওই কল রেকর্ডে উপপরিচালককে বলতে শোনা যায় ‘আমি তো ওই ফাইল ছেড়ে দিব। কিন্তু আপনি তো পরিচালক-সহকারী পরিচালক সম্পর্কে জানেন সবই। তারা এমনি এমনি কাজ করতে চান না। এইটা মূল সমস্যা। এ জন্য আপনাকে সেক্রিফাইস করতে হবে। ওটা করলেই কাজটা হয়ে যাবে।’

 

কথোপকথন ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে নিরুত্তর ছিলেন মকবুল হোসেন। তিনি বলেন, গত জুন মাসে তার ভাগ্নি এমপিওভুক্তির আবেদন করেন। কিন্তু সেই আবেদন দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে ছিল। অনলাইনে তিনি দেখতে পান সেটি উপপরিচালক মাহাবুবুর রহমান শাহের কাছে আছে। পরে তার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করেন। ফাইল ছেড়ে দিতে তিনি অর্থ দাবি করেননি বলেও স্বীকার করেন এই শিক্ষক।

 

কলেজশিক্ষক মকবুল হোসেন মামা স্বীকার করে  কামরুন্নাহার জানান, তার এনটিআরসিএর নিবন্ধন ২০০৬ সালে। এমপিও আবেদনের পর আঞ্চলিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছিল তারা সনদ অনলাইনে পাচ্ছে না। কারণ ওই সময় এনটিআরসিএর অনলাইন ডাটাবেজে এই তথ্য ছিল না। পরে বিষয়টি রিভিউ করে নিষ্পত্তি হয়েছে। এই সমস্যা শুধু তার একার নয়, আরও অনেকেরই ছিল এবং এমপিও পেতে কোনো অর্থ খরচ করতে হয়নি বলে দাবি করেন কামরুন্নাহার।

 

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নূরুন্নবী বলেন, কামরুন্নাহারসহ তারা ডিগ্রি পর্যায়ের সাতজন শিক্ষকের এমপিওভুক্তির আবেদন করেছিলেন। কিন্তু কামরুন্নাহারসহ দুজনের এমপিও আবেদন প্রত্যাখ্যান হয়। পরে একসঙ্গে তাদের এমপিও আবেদন করা হয়। ওই সময় একজনের আবেদন নিষ্পত্তি হলেও ঝুলে ছিল কামরুন্নাহারের আবেদন। সর্বশেষ এমপিওতে সেই আবেদনও নিষ্পত্তি হয়েছে।

এমপিওভুক্তিতে অর্থ লেনদেনের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দাবি করেন, বিধি মেনে তারা অনলাইনে আবেদন করেছিলেন। এরপর শিক্ষকরা নিজেদের মতো যোগাযোগ করে এমপিওভুক্ত হয়েছেন। তার কাছে অর্থ লেনদেনের বিষয়ে কোনো তথ্য নেই।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের রাজশাহী অঞ্চলের উপপরিচালক প্রফেসর মাহবুবুর রহমান শাহ বলেন, পরিচালক ও সহকারী পরিচালককে ফোনে না পেয়ে আমাকে প্রতিদিনই অসংখ্য শিক্ষক ফোন দেন। এমপিও আবেদন নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা আমার নেই। ফলে এমপিও পাইয়ে দিতে অর্থ দাবির বিষয়টি একেবারেই ভিত্তিহীন।

 

ফাইল আটকে রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, এমপিও শেষে সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক এবং পরিচালকের কাছে কিছু ফাইল আটকে থাকে। সময় সল্পতার কারণে এটি হয়। পর্যায়ক্রমে এসব আবেদন নিষ্পত্তি করেন তারা। ওই শিক্ষকের আবেদনও এর মধ্যে থাকতে পারে।

শেয়ার করুন

আরো দেখুন......