1. admin@dailyoporadhonusondhanltd.net : admin :
শিরোনামঃ
প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও কুরবানীর সমস্ত গোশত গরিব দুঃখী অসহায় মানুষদের মাঝে অকাতরে বিলিয়ে দিলেন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ননীক্ষীর ইউনিয়নের বনগ্রাম বাজার, জলিরপাড়ের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী শেখ মোঃ জিন্নাহ।। এবারও চসিকে কোরবানির বর্জ্য পরিস্কার -পরিচ্ছন্নতায় শীর্ষে দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ড শিবগঞ্জে ভ্যান চালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হারুন অর রশিদ ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মংপ্রু মার্মার পরিবারের মানবেতর জীবনযাপন, আয়েরও কোন উৎস নেই ঝিনাইদহ চেক পোস্টে ২৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক কালাইয়ে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট। *মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা-২০২৪ উপলক্ষে ৫০ টি দুস্থ পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম।* এলজিইডি’র বাস্তবায়নে মুকসুদপুরের বিলচান্দা গ্রামের মানুষ শহরের সুবিধা পেতে চলেছে সাগরিকা ও হালিশহর বড়পুল মহেশখাল পাড়স্থ পশুর হাট পরিদর্শনে সিএমপি পুলিশ কমিশনার “সাংবাদিকতা সংক্রান্ত নেতিবাচক লেখাগুলো ফেসবুকে প্রচার বন্ধ হোক”- “সাইদুর রহমান রিমন”। 

দালালের খপ্পরের পড়ে লাশ হয়ে ফিরল যুবক

  • আপডেট সময়ঃ শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৭৫ জন দেখেছেন

ক্রাইম রিপোর্টার(চট্রগ্রাম বিভাগ):- জীবনের ভাগ্য ফেরাতে ভিনদেশে পাড়ি জমাতে চেয়েছিল কক্সবাজারের উখিয়ার  যুবক মিটন বড়ুয়া।

তবে প্রায় এক সপ্তাহ পর দালালের খপ্পরে পড়ে লাশ হয়ে ফিরতে হল তাকে।

গতকাল চট্রগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভোজপুরের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ফেনী নদীতে তার লাশ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে বিজিবি।পরে পরিচয় শনাক্ত করে স্বজনদের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ চট্রগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

মৃত্যুর খবর পাবার পরপরই পরিবারের স্বজনদের আহাজারি যেন থামছেই না।নেমেছে শোকের ছায়া।

জানা যায় গত বৃহস্পতিবার সকালে  পরিবারের কাউকে না জানিয়ে বেরিয়ে পড়ছিলেন উখিয়া উপজেলার মধ্যরত্না গ্রামের সামাচরণ বড়ুয়ার ছেলে মিটন বড়ুয়া,এরপর দালালের হাত ধরে অবৈধভাবে ভারতের বর্ডার পার হতে কাল হয়ে দাড়ালো বর্ডারে পাশে লাগুয়া এক ছোট ফেনী নদী।

মূলত ভারতে প্রবেশ করতে সে নদী পার হতে হয়।তাই নদী পাড়ি দিয়েছিল মিটন বড়ুয়াসহ আরও ৩ জন। তবে অন্যরা কূলে ফিরলেও সাঁতার না জানা মিটন বড়ুয়া আর কীনারায় উঠতে পারেনি।

এদিকে পরিবারের দাবি মিটন বড়ুয়া সাঁতার না জানা সত্বতেও নদীতে নামানোর জন্য বাধ্য করেছিল সহযোগী হিসেবে থাকা পায়েল বড়ুয়া,এই বিষয়ে পায়েল বড়ুয়া সাথে বিভিন্ন উপায়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে সে কথা বলতে রাজি হয়নি।

মূলত পায়েল বড়ুয়া একজন দালাল হিসেবে চিনে সবাই,তার বাড়ি চট্রগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার জলদী গ্রামে বলে জানা যায়,দুই বাংলার পরিচয়পত্রও রয়েছে তার,তাই টাকার বিনিময়ে ইউরোপে নিয়ে যাবার লোভ দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে প্রতিমাসে ভারতে লোক নিয়ে যায় পায়েল বড়ুয়া,তাই পায়েল বড়ুয়ার বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিবে বলেও জানান তার পরিবারের লোকজন।

এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।তাই সুশীল সমাজ বলছে সাধারণ জনগণের সচেতন হওয়া জরুরী এবং অবৈধ উপায়ে যেন কেউ বাইরের দেশে গমন না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত।

শেয়ার করুন

আরো দেখুন......