1. admin@dailyoporadhonusondhanltd.net : admin :
শিরোনামঃ
নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ রায়হান’কে চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭ ও র‌্যাব-১১। সীতাকুণ্ডে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ যানজট সৈনিক কল্যাণ সংস্থা Uno নিকট খেজুরের বীজ প্রদান বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি চট্টগ্রাম জেলা শাখা কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান ও মাস ব‍্যাপি সাংগঠনিক কর্মসূচি 2024 সম্পন্ন। বরগুনার তালতলীতে অবৈধ চোলাই মদসহ আটক ১ জন। “শিক্ষায় কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকদের আন্তরিকতা প্রশংসনীয়”– “শিক্ষায় কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকদের আন্তরিকতা প্রশংসনীয়” শেরপুরের ঝিনাইগাতী তিনজন হোটেল মালিককে ৬ হাজার টাকা জরিমানা ২ কেজি গাঁজা সহ এক মাদক ব্যবসায়ী বরগুনা ডিবি পুলিশের হাতে আটক।

শোকাবহ আগস্ট জাতীয় শোকের মাস- “খলিলুর রহমান”

  • আপডেট সময়ঃ শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০২২
  • ১৫২ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক:-১৫ আগষ্ট মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের কালিমালিপ্ত বেদনাবিধূঁর শোকের দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে মানবতার শত্রু প্রতিক্রিয়াশীল ঘাতকচক্রের হাতে বাঙালি জাতির মুক্তি আন্দোলনের মহানায়ক, বিশ্বের নিপীড়িত ও শোষিত মানুষের মহান নেতা, বাংলা ও বাঙালির হাজার বছরের আরাধ্য পুরুষ, বাঙালির নিরন্তন প্রেরণার চিরন্তন উৎস, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। ইতিহাসের নৃশংস ও ভয়াবহ কলঙ্কিত অধ্যায় রচিত হয়েছিল এ কালো রাতে। স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি ও তাদের দেশীয় এজেন্টরা পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট নিজ বাসভবনে সপরিবারে বুলেটের বৃষ্টিতে নর পশু ঘাতকরা ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল বিশাল হৃদয়ের অধিকারী

ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গবন্ধুকে।সেদিন ব্যথাতুর প্রকৃতির অশ্রুজলে ভেজা বাতাস কেঁদে কেঁদে বঙ্গবন্ধুর নিহত হওয়ার খবর জানান দিয়েছিল সমগ্র বাংলায়। ঘাতকদের উদ্যত অস্ত্রের সামনে ভীতসন্ত্রস্ত বাংলাদেশ বিহ্বল হয়ে পড়েছিল শোকে আর অভাবিত ঘটনার আকস্মিকতায়।তবে বাংলা ও বাঙালি কাল থেকে কালান্তরে বয়ে বেড়াবে এ শোকের বহ্নিশিখ।আজ থেকে ৪৭ বছর আগে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছিল ক্ষমতালোভী নরপিশাচ খুনী, ও মিরজাফরের বংশধর বিশ্বাস ঘাতক মোস্তাক

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা সংগ্রাম শেষে যখন যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশটির পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে দেশপ্রেমিক জনগনকে নিয়ে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেছিলেন; ঠিক তখনই ঘটানো হয় ইতিহাসের নির্মম এ ঘটনা। সেদিন বাংলার আকাশ-বাতাস আর প্রকৃতি অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েছিল; পঁচাত্তরের এই দিনে আগস্ট আর শ্রাবণ মিলেমিশে একাকার হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর রক্ত আর আকাশের মর্মছেঁড়া অশ্রুর প্লাবনে। বিশ্ব মানবতাকে ভূলুন্ঠিত করে জাতির জনকের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেলের শত আকুতি মিনতি সত্বেও এবং তার আর্তচিৎকারে  খোদার আরশ কেঁপে উঠলেও টলাতে পারেনি খুনিদের মন।সেদিন ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম এই হত্যাকাণ্ডে বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী, মহিয়সী নারী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভ্রাতা শেখ আবু নাসের, জাতির পিতার জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, দ্বিতীয় পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল, কনিষ্ঠ পুত্র নিষ্পাপ শিশু শেখ রাসেল, নবপরিণীতা পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মণি, স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক ও জাতির পিতার ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, তাঁর ছোট মেয়ে বেবী সেরনিয়াবাত, কনিষ্ঠ পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, দৌহিত্র সুকান্ত আব্দুল্লাহ বাবু, ভাইয়ের ছেলে শহীদ সেরনিয়াবাত নৃশংসভাবে নিহত হন।তবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় তাঁরা প্রাণে বেঁচে যান।পৃথিবীর ইতিহাসে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির প্ররোচনায়  বিশ্বের বহু নেতা বা রাষ্ট্র প্রধানদেরকে হত্যা করা হলেও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট নির্মম ভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার ঘটনা বিশ্ব মানবতা বা বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাসে বিরল।

বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর গোটা বিশ্বে নেমে এসেছিল শোকের ছায়া। হত্যাকারীদের প্রতি ছড়িয়ে পড়েছিল ঘৃণার বিষবাষ্প। তারই ধারাবাহিকতায় পশ্চিম জার্মানির নেতা নোবেল পুরস্কার বিজয়ী উইলি ব্রানডিট বলেছিলেন, ‘মুজিবকে হত্যার পর বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না”। তাঁর ভাষায়, “যে বাঙালি শেখ মুজিবকে হত্যা করতে পারে, তারা যে কোন জঘন্য কাজ করতে পারে”।বঙ্গবন্ধুর নিহত হবার সংবাদ শুনে মিসরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ক্ষোভ, দুঃখ ও অশ্রু সজল কন্ঠ আক্ষেপ করে বলেছিলেন “বাঙালি’রা আমারই দেয়া ট্যাঙ্ক দিয়ে আমার বন্ধু মুজিবকে হত্যা করেছে! তাই আমি নিজেই নিজেকে অভিশাপ দিচ্ছি”।কিউবার প্রেসিডেন্ট বিপ্লবী ফিদেল ক্যাস্ত্রো বলেছিলেন- “আমি হিমালয় দেখিনি, তবে বঙ্গবন্ধুকে দেখেছি। শেখ মুজিবের মৃত্যুতে বিশ্বের শোষিত মানুষ হারাল তাদের একজন মহান নেতাকে, আর আমি হারালাম বিশাল হৃদয়ের একজন অকৃত্রিম বন্ধুকে”। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত কান্না জড়িত কন্ঠে বলেছিলেন, “কুসুম কোমল হৃদয়ের আপসহীন সংগ্রামী নেতা প্রিয় বন্ধু শেখ মুজিবকে হারিয়ে সত্যিই আমি ব্যথিত ও দু:খিত”।জাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট কেনেথা কাউণ্ডা বলেছিলেন, “শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন ভিয়েতনামী জনগণসহ বিশ্বের শোষিত মানুষের অনুপ্রেরনা”। বৃটিশ এমপি জেমসলামন্ড বলেছিলেন, “বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডে শুধু বাঙালি জাতিই এতিম হয়নি, বিশ্ববাসী হারিয়েছে একজন মহান সন্তানকে”। ব্রিটিশ লর্ড ফেন্যার ব্রোকওয়ে বলেছিলেন, “শেখ মুজিব জর্জ ওয়াশিংটন, গান্ধী এবং দ্য ভ্যালেরার থেকেও মহান নেতা ব্রিটিশ লর্ড ফেন্যার ব্রোকওয়ে বলেছিলেন, “শেখ মুজিব জর্জ ওয়াশিংটন, গান্ধী এবং দ্য ভ্যালেরার থেকেও মহান নেতা ছিলেন”। জাপানি নাগরিক মুক্তি ফুকিউরা আবেগ আপ্লুত কন্ঠে বলেছিলেন “এশিয়ায় শেখ মুজিবের মতো সিংহ পুরুষ এবং হৃদয়বান নেতার জন্ম হবে না বহুকাল”।

বঙ্গবন্ধুকে দৈহিকভাবে হত্যা করা হলেও তাঁর মৃত্যু নেই। তিনি চিরঞ্জীব। তিনি একটি জাতিস্বত্বার স্বপ্নদ্রষ্টা এবং স্থপতি। তাই যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, যত দিন থাকবে পদ্মা মেঘনা যমুনা, ততদিন বঙ্গবন্ধু অমর হয়ে থাকবেন।সমগ্র জাতিকে তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরোপক্ষতা, সমাজতন্ত্র এবং গনতন্ত্রের মহান আদর্শে অনুপ্রানীত করে ঔপনিবেশিক শাসক-শোষক পাকি হায়েনাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন। তাই তিনি চিরঞ্জীব থাকবেন বাঙালি জাতির চেতনায়। বঙ্গবন্ধু কেবল একজন ব্যক্তি নন, তিনি এক মহান আদর্শের নাম। যে আদর্শে উজ্জীবিত হয়েছিল গোটা দেশ। বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র আর ধর্মনিরপেক্ষ দর্শনে দেশের সংবিধানও প্রণয়ন করেছিলেন স্বাধীনতার স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব।

মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত অপশক্তির ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি বিধায় পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে তারা একের পর এক চক্রান্তের ফাঁদ পেতেছে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার উদ্দ্যেশে। সর্বশেষ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট  মিরজাফরের বংশধর বিশ্বাস ঘাতক মোস্তাক সেনাবাহিনীর বিপথগামী কয়েকজন সদস্যকে ব্যবহার করে স্বাধীনতার সূতিকাগার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে সশস্ত্র হামলা করে গভীর রাতে হত্যা করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারকে। বিশ্ব মানবসভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেদিন তারা কেবল বঙ্গবন্ধুকেই নয়; তার সঙ্গে হত্যা করতে চেয়েছিল বাঙালির হাজার বছরের প্রত্যাশার অর্জন স্বাধীন বাংলাদেশ এবং স্বাধীনতার আদর্শগুলোকেও। মুছে ফেলতে চেয়েছিল বাঙালি জাতির বীরত্বগাথা ইতিহাস। বঙ্গবন্ধুর নৃশংসতম হত্যাকান্ড বাঙালি জাতির জন্য করুণ বিয়োগগাথা হলেও ভয়ঙ্কর ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত খুনিদের শাস্তি নিশ্চিত না করে বরং দীর্ঘ সময় ধরে তাদের আড়াল করার অপচেষ্টা সহ খুনিদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে নানাভাবে। এমন কি বিশ্ব বিবেককে স্তম্ভিত করে ১৫ আগষ্ট কালো রাতে সংঘঠিত হত্যার বিচার রোধে কুখ্যাত ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ জারি করেছিল বঙ্গবন্ধুর খুনি  মোশতাক সরকার।

ভায়াল একুশে আগষ্ট’২০০৪ পৃথিবীর ইতিহাসে আরো একটি জঘন্যতম দিন।গনতান্ত্রিক বিশ্বে এদিনটিও একটি কালো দিবস হিসেবে চিন্হিত হয়ে থাকবে।এইদিনে বাংলাদেশে কথা বলার অধিকারকে চিরতরে স্তব্ধ কারার উদ্দেশ্যে বা স্বাধীনতার পক্ষশক্তিকে নিস্চিন্হ করার লক্ষে বিএনপি জামাত সরকারের প্রধান মন্ত্রি স্বাধীন বাংলার  বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান তারেক জিয়ার নির্দেশে তদান্তিন বিরোধী দলীয় নেতা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্রকাশ্য জনসভায় গ্রেনেড ছুড়ে হত্যার অপচেষ্টা করে। তবে মহান আল্লাহ তায়লার অশেষ রহমত ও স্বাধীনতার পক্ষ শক্তির সৃষ্ট মানব ঢাল এবং দেশপ্রেমিক জনগোষ্ঠির দোয়ার বরকতে তিনি প্রানে বেঁচে যান।

একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাই আগষ্ট এলেই বিশ্ব মানবতার মহান নেতা বিশ্ব বন্ধু বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে রক্ষাকরতে না পারার ব্যর্থতা থেকে আমার হৃদপিন্ডে সৃষ্ট ক্ষত থেকে রক্ত ক্ষরন শুরু হয়। রক্তের ক্ষরন আরো বেগবান হয় ২১ আগষ্ট এলেই। তাই যতদিন না খুনিদের বিচার শেষ হবে; ততদিন আমার এ ক্ষত শুকাবেনা, অথবা যতদিন না কেলেন্ডারের পাতা থেকে আগষ্ট মুছে না যাবে ততদিন আমাকে এ ক্ষত বয়ে বেড়াতে হবে।অধিকন্তু, ইদানিং লক্ষ্যে করছি, ৭১’এর পরাজিত শক্তি জামাত-শিবির বিএনপি এবং আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী ‘কাউয়া’ প্রজাতির চরিএহীন সুযোগ সন্ধানীরা পুনরায় ১৫ আগষ্ট সৃষ্টির হীন উদ্দ্যেশে বিভিন্ন ভাবে আওয়ামী লীগ ও জাতির জনকের কন্যা জননেএী শেখ হাসিনা এবং তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে এবং এতে আমি উদ্বিগ্ন ও আমার হৃদপিন্ডের রক্ত ক্ষরনের প্রবাহ বৃদ্ধির আশংকা করছি।

বর্নিত অবস্হায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তির সর্বশেষ ঠিকানা বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেএী শেখ হাসিনা ও তাঁর জনগনমুখি সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদেরকে দাঁত ভাঙা জবাব দেয়ার জন্য আগষ্ট,২০২২ মাসে শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে মুক্তিযোদ্ধা সহ স্বাধীনতার পক্ষ শক্তির সকল ছাএ জনতা ও আওয়ামী লীগের দেশ প্রেমিক নেতা কর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে জননেএী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার দৃঢ প্রত্যয় গ্রহন করার অনুরোধ জ্ঞাপন করছি।

জয়বাংলা! জয়বঙ্গবন্ধু! শেখ হাসিনা দীর্ঘজীবি হউন।

* মোহাম্মদ খলিলুর রহমান, ব্যবস্হাপনা পরিচালক, দৈনিক অপরাধ অনুসন্ধান লি:

* বাংলাদেশ।

* আগষ্ট’২০২২

শেয়ার করুন

আরো দেখুন......