1. admin@dailyoporadhonusondhanltd.net : admin :
শিরোনামঃ
র‌্যাব-৭,চট্রগ্রাম’র অভিযানে আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলায় “যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত” আসামি মোঃ সুমন গ্রেফতার।  বাঘায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত এক ,গুরুতর আহত দুই। আমতলীতে হিরন হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন মৃধা গ্রেপ্তার  সাজেকে কাচালং নদীতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে বিঝু উৎসবের সুচনা পুলিশি তৎপরতা ও আন্তরিক ভূমিকায় মানসিক ভারসাম্যহীন (পাগল) মহিলার বাচ্চা প্রসবে সহযোগিতা । ভোটারদের টাকা দিতে বাঁধা দেওয়ায় ছুরিকাঘাতে চেয়ারম্যান সমর্থককে হত্যা। শেরপুর পুলিশ লাইন্সে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত শিকড় ঝিনাইগাতীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন সেবক, কামরুজ্জামান (বাবলু কেন্দ্রীয় কৃষি ও সমবায় বিষয়ক উপ-কমিটির (সদস্য) জামালপুরের সানন্দবাড়ীতে অসকস বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ঈদ সামগ্রী উপহার হতদরিদ্রদের

প্রতিকূল আবহাওয়ায় বঙ্গোপসাগরের গভীরে র‌্যাব-১৫ এর দুঃসাহসিক এবং শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে ০৬ জন মায়ানমার নাগরিকসহ মোট ০৯ জন গ্রেফতার, ০১ লক্ষ পিস ইয়াবা উদ্ধার

  • আপডেট সময়ঃ শুক্রবার, ৫ আগস্ট, ২০২২
  • ৮৬ জন দেখেছেন

ক্রাইম রিপোর্টার (চট্রগ্রাম বিভাগ):-

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ এবং মাদক নির্মূলে র‌্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে “Zero Tolerance” নীতি ঘোষণা করার পর থেকে র‌্যাবের কার্যক্রম আরো ত্বরান্বিত হয়েছে।

সর্বোচ্চ পেশাদারীত্বের সাথে অপারেশন পরিচালনা করে র‌্যাব-১৫ ইতোমধ্যে বেশকিছু বড় বড় ইয়াবা ও আইসের চালান জব্দ করাসহ মাদক পরিবহনকারী, চোরাকারবারী ও গডফাদারদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব জানতে পারে যে, সমুদ্রপথে অভিনব কায়দায় বড় বড় ইয়াবার চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। গোয়েন্দা সূত্রে র‌্যাব-১৫ এর আভিযানিক দল নিশ্চিত হয় যে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র অবৈধ পন্থায় ডাঙ্গায় মোটা অংকের টাকা লেনদেন করবে এবং গভীর বঙ্গোপসাগরে ইয়াবার চালান হস্তান্তর করবে। এই মৌসুমে প্রতিকূল আবহাওয়ায় উত্তাল সমুদ্রের ভয়াবহতা উপেক্ষা করে র‌্যাবের আভিযানিক দলের সদস্যরা ছদ্মবেশে গভীর সমুদ্রে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করে এবং এক পর্যায়ে ইয়াবার চালান হস্তান্তর করার সময় হাতেনাতে পুরো চক্রটিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন ১। আলী উল্লা (৫০), পিতা-মৃত জাফর আমান, ২৬ নং নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প, টেকনাফ, কক্সবাজার, ২। জিয়াবুল হোসেন (২১), পিতা-ওসমান গণি, সাং-দক্ষিণ জালিয়াপাড়া, পৌরসভা, টেকনাফ, কক্সবাজার ৩। আবু তাহের (৪০), পিতা-মৃত ফজল আহম্মেদ, জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প, ব্লক-C, ক্যাম্প: C-4, থানা-টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজার, ৪। মোঃ ইউনুস (৩৫), পিতা-মোঃ শফিক; ৫। বদি আলম (২৩), পিতা-নূরে আলম; ৬। এনামুল হাছান (২০), পিতা-আমিন হোসেন; ৭। নূর মোহাম্মদ (২২), পিতা-হাফেজ আহম্মদ; ৮। মোঃ রফিক (২১), পিতা-মাহমুদ হোসেন; ৯। সাদেক (২২), পিতা-সৈয়দ আহম্মেদ, সর্বসাং- মেহেরকুল, থানা-প্রত্তুমনি, জেলা-আইক্যাপ, মায়ানমার।

গ্রেফতারকৃতরা জানায়, তারা সকলেই মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে মাদক পাচারের সাথে জড়িত। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে তারা গভীর সমুদ্র পথকেই মাদক কেনা-বেচায় নিরাপদ পন্থা বলে মনে করেছিল। দীর্ঘদিন ধরেই তারা একজন হুন্ডি ব্যবসায়ীর মাধ্যমে টাকা লেনদেন করে গভীর সমুদ্রে ইয়াবা পাচার করে আসছিল।

আসামীর মধ্যে ১ জন বাংলাদেশী, ২ জন বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিক এবং ৬ জন কথিত মতে মায়ানমার নাগরিক।

উদ্ধারকৃত আলামত ও গ্রেফতারকৃত আসামী সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

শেয়ার করুন

আরো দেখুন......